কলেজে ভর্তির ফি কিস্তিতে দেয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী – আজকের শিক্ষা || ajkershiksha.com

কলেজে ভর্তির ফি কিস্তিতে দেয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

আগামী ৯ আগস্ট থেকে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন ভর্তির কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে। অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের কলেজ ভর্তিতে যেন কোনো অসুবিধা না হয় সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কিস্তিতে ভর্তি ফি দেয়ার ব্যবস্থা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেছেন, মেধাবী কিন্তু আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের ভর্তিতে যেন সমস্যা না হয় সেদিকে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক থাকতে হবে। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অনেকেই হয়ত ভর্তির ফি একসাথে পরিশোধ করতে পারবে না। সেক্ষেত্রে তারা যেন কিস্তিতে ভর্তি ফি দিতে পারে সে ব্যবস্থা রাখতে হবে।

রোববার (১৯ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবুল খায়ের শিক্ষাডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সূত্র শিক্ষাডটকমকে জানায়, ইতোমধ্যে প্রকাশিত নীতিমালা অনুসারে আগামী ৯ আগস্ট থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। যদিও কলেজ ভর্তির আবেদন গ্রহণ ও ফল প্রকাশের বিস্তারিত সময়সূচি এখনো নির্ধারিত হয়নি।

ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ শিক্ষাডটকমকে জানান, ইতোমধ্যে প্রকাশিত ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে শুধু সময়সূচিতে পরিবর্তন করা হয়েছে। ভর্তি প্রক্রিয়ার পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি খুব তাড়াতাড়ি সবার সাথে আলোচনা করে নির্ধারণ করবে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির।

জানা গেছে, এ বছর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে মুক্তিযোদ্ধা, প্রবাসী ও বিকেএসপি কোটা বহাল থাকছে। তবে, অন্যান্য কোটা নিয়ে নীতিমালায় কোনো কিছু উল্লেখ করা হয়নি। ভর্তি প্রক্রিয়ায় জটিলতা ও ব্যয় কমাতে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া বাতিল করা হয়েছে। শুধু অনলাইনে সর্বোচ্চ ১০টি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।

একাদশে বিশেষ কোটা হিসেবে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা, দশমিক পাঁচ শতাংশ বিকেএসপি এবং দশমিক পাঁচ শতাংশ প্রবাসী কোটা বহাল থাকছে। প্রবাসীদের সন্তান ভর্তির বিষয়ে সরাসরি বোর্ডে আবেদন করতে হবে।

এবার ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার এমপিওভুক্ত কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার টাকা। এছাড়া ঢাকার মধ্যে আংশিক এমপিওভুক্ত ও এমপিওবিহীন প্রতিষ্ঠানের বাংলা মাধ্যম ভর্তির জন্য ৯ হাজার ও ইংরেজি মাধ্যমের ভর্তি ফি ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হবে। সব প্রতিষ্ঠানের জন্য উন্নয়ন ফি ৩ হাজার টাকার বেশি করা যাবে না। প্রতিটি খাতে অর্থ আদায়ের ক্ষেত্রে রশিদ প্রদানের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া মফস্বল ও পৌর এলাকার জন্য ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার টাকা, পৌর জেলা সদরে ২ হাজার টাকা, ঢাকা ব্যতীত অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩ হাজার টাকার বেশি নেয়া যাবে না।

শিক্ষার সব খবর সবার আগে জানতে শিক্ষার চ্যানেলের সাথেই থাকুন। ভিডিওগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই শিক্ষাডটকমের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে সয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিওগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।

শেয়ার করুন:
  • 498
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
    498
    Shares
  •  
    498
    Shares
  •  
  •  
  • 498
  •